Powered by Blogger.

Showing posts with label জীববিজ্ঞান. Show all posts
Showing posts with label জীববিজ্ঞান. Show all posts

কিছু অতি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম



গুরুত্বপূর্ণ কিছু উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামঃ





উদ্ভিদের নাম
বৈজ্ঞানিক নাম
ধান
Oryza sativa
ভুট্টা
Zea mays
মটর
Pisum sativum
আম
Mangifera indica
কাঁঠাল
Artocarpus heterophyllus
নারিকেল
Cocos nucifera
পিঁয়াজ
Allium cepa
রসুন
Allium sativum
চা
Camellia sinensis
পাট
Corchorus capsularis
তুলা
Gossypium (genus)

প্রাণীবিজ্ঞান পরিচিতি

প্রারম্ভিক আলোচনা: অধ্যায়টা ছোট। দুই একটি প্রশ্ন সাধারণত পরীক্ষায় আসে। বিজ্ঞানীদের অবদান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।
অধ্যায় সারবস্তু:
১. ১৯৬৯ সালে হুইটেকার পাঁচ জগত শ্রেণিবিন্যাসের প্রস্তাব করেন।
২. প্রাণির পুষ্টি হলোজয়িক অর্থাৎ জটিল জৈব পদার্থ আহার করে।
৩. রক্তের উপস্থিতি-অনুপস্থিতির ভিত্তিতে প্রাণিজগতের শ্রেণিবিন্যাস করেন = অ্যারিস্টট্‌ল।
৪. শারীরবিদ্যা বৈজ্ঞানিক শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবার জন্য অবদান রাখেন = আঁদ্রে ভেসালিয়াস
৫. মানবদেহে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া সম্পর্কে গবেষণা করেন = উইলিয়াম হার্ভে
৬. CELL নামকরণ করেন = রবার্ট হুক
৭. লেন্সের বিবর্ধন ক্ষমতা বাড়িয়ে ব্যাকটেরিয়া, প্রোটোজোয়া, শৈবাল, শুক্রাণু, রক্তকণিকা আবিষ্কার করেন = লিউয়েনহুক
৮. দ্বিপদ নামকরণ প্রণয়ন করেন = ক্যারোলাস লিনিয়াস
৯. Biology শব্দের প্রবর্তন করেন ও ‘অর্জিত গুণাবলীর উত্তরাধিকার’ মতবাদ দেন = ল্যামার্ক
১০. জীবাশ্মবিদ্যাকে বিজ্ঞানের অন্যতম শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন = জর্জেস ক্যুভিয়ে
১১. তুলনামূলক ভ্রূণবিদ্যা প্রতিষ্ঠা করেন = কার্ল আর্নস্ট বেয়ার
১২. “Origin of Species” বই-এ বিবর্তন সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেন = ডারউইন
১৩. কোষ মতবাদ (Cell Theory) দেন = থিওডোর সোয়ান
১৪. সর্বপ্রথম বেশ কিছু রোগের অণুজীব ও ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেন = লুই পাস্তুর
১৫. মিউটেশন মতবাদ প্রতিষ্ঠা করেন = হুগো দ্য ভ্রিস
১৬. জার্মপ্লাজম মতবাদ দেন এবং ল্যামার্কের মতবাদের অসারতা প্রমাণ করেন = অগাস্ট ভাইজম্যান
১৭. সর্বপ্রথম পেনিসিলিন নামক অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন = আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
১৮. DNA ডাবল হেলিক্স গঠনের বর্ণনা দেন = ওয়াটসন ও ক্রিক
১৯. ভারতের পাখি বিশারদ = সালিম আলী
২০. বিশুদ্ধ প্রাণিবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা:
·         Morphology = অঙ্গসংস্থান
·         Anatomy = শারীরস্থান
·         Physiology = শারীরবিদ্যা
·         Cytology = কোষবিদ্যা
·         Histology = কলাস্থানবিদ্যা
·         Embryology = ভ্রূণবিদ্যা
·         Genetics = বংশগতিবিদ্যা
·         Ecology = বাস্তব্যবিদ্যা / বাস্তুবিদ্যা
·         Taxonomy = শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা
২১. ফলিত প্রাণিবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা:
§  Pisciculture = মৎস্য চাষ
§  Apiculture = মৌমাছি পালন
§  Sericulture = রেশম চাষ
§  Prawn culture = চিংড়ি চাষ
২২. বিশেষিত প্রাণিবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা:
o    Helminthology = ফিতাকৃমিবিদ্যা
o    Nematology = সুতাকৃমিবিদ্যা
o    Entomology = পতঙ্গবিদ্যা
o    Ichthyology = মাৎস্য বিদ্যা
o    Ornithology = পাখি বিদ্যা
o    Mammalogy = স্তন্যপায়ীবিদ্যা

হাইড্রা-অতি গুরুত্তপূর্ণ একটি অধ্যায় ..


প্রারম্ভিক আলোচনা: অধ্যায়টা গুরুত্বপূর্ণ। এ অধ্যায় থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
অধ্যায় সারবস্তু:
হাইড্রার শ্রেণিবিন্যাস:
পর্ব = Cnidaria (দেহে নিডোব্লাস্ট আছে)
শ্রেণী = Hydrozoa
বর্গ = Hydroida
গোত্র = Hydridae (গোত্র-এর নামের শেষে “idae” থাকে)
গণ = Hydra
প্রজাতি = Hydra vulgaris
১. হাইড্রা নিডারিয়া (Cnidaria) পর্বের প্রাণী (এদের নিডোব্লাস্ট আছে, তাই থেকে নিডারিয়া)।
২. হাইড্রা মাংসাশী। (এর মানে এরা মাংস খায়, এমন না, বলা যায় এরা অন্য প্রাণীকে খাদ্যরূপে গ্রহণ করে)
৩. ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শ্বসন ও রেচন সম্পন্ন করে।
৪. হাইড্রা মিঠাপানির প্রাণী। পানিতে অবস্থিত কোন কঠিন বস্তুর গায়ে এটি লেগে থাকে।
৫. Hydra –এর দেহের একপ্রান্ত খোলা এবং অপর প্রান্ত বন্ধ।
৬. হাইড্রার দেহ অরীয় প্রতিসম।
৭. হাইড্রা দ্বিস্তরবিশিষ্ট প্রাণী। এক্টোডার্ম এবং এন্ডোডার্ম। এক্টোডার্ম থেকে এপিডার্মিস (ত্বক) এবং এন্ডোডার্ম থেকে গ্যাস্ট্রোডার্মিস (উৎপন্ন হয়।
৮. দ্বিস্তরী ও ত্রিস্তরী প্রাণীর মধ্যে পার্থক্য:
তুলনীয় বৈশিষ্ট্য
দ্বিস্তরী প্রাণী
ত্রিস্তরী প্রাণী
মেসোগ্লিয়ার উপস্থিতি
থাকে
এই স্তর মেসোডার্ম-এ পরিণত হয়।
ভ্রূণস্তরের পরিণতি
কোষগুলো কোন কলা বা অঙ্গ গঠন করতে পারে না।
ভ্রূণস্তরের কোষগুলো বিভিন্ন কলা, অঙ্গ ও অঙ্গতন্ত্র গঠন করে।
নালী
দেহাভ্যন্তরে একটিমাত্র নালী দেখা যায়।
দেহপ্রাচীর ও পৌষ্টিক নালী – এ দু’টি নালী থাকে
দেহ গহবর
সিলেন্টেরন
সিলোম
৯. হাইড্রার নিডোব্লাস্ট এপিডার্মিস স্তরে থাকে।
১০. এপিডার্মিস স্তর (এক্টোডার্ম)-এ থাকে = পেশী-আবরণী কোষ, ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ, নিডোব্লাস্ট, গ্রন্থি কোষ, স্নায়ূ কোষ, জনন কোষ।
১১.  গ্যাস্ট্রোডার্মিস স্তর (এন্ডোডার্ম)-এ থাকে = পুষ্টি (নিউট্রিটিভ) কোষ, গ্রন্থি কোষ, সংবেদী কোষ
১২. অপাচ্য ও বর্জ্য পদার্থ মুখগহ্বর দিয়েই বাইরে নিষ্ক্রান্ত হয়।
১৩. সিলেন্টেরন বা গ্যাস্ট্রোভাসকুলার গহ্বর-এ বহিঃকোষীয় ভাবে খাদ্যবস্তু পরিপাক হয়।
১৪. নিডারিয়া পর্বে মোট ২৩ ধরনের নেমাটোসিস্ট রয়েছে। তবে হাইড্রাতে চার ধরনের নেমাটোসিস্ট পাওয়া যায়।
১৫. বৃহত্তম নেমাটোসিস্ট = স্টিনোটিল বা পেনিট্যান্ট
১৬. স্টিনোটিল-এ হিপনোটক্সিন নামক বিষাক্ত রস থাকে।
১৭. ভলভেল্ট-এর সূত্রক কর্ক-স্ক্রুর মত অনেকগুলো প্যাঁচের সৃষ্টি করে।
১৮. স্ট্রেপপলিন গ্লুটিন্যান্ট এর দেহ সর্পিলাকারে সজ্জিত কাঁটাযুক্ত। (স্ট্রেপটো = প্যাঁচানো)
১৯. স্টেরিওলিন গ্লুটিন্যান্ট ক্ষুদ্রতম নেমাটোসিস্ট। (স্টেরিও = সলিড; যেহেতু অস্পষ্ট অতি ক্ষুদ্র কাঁটাযুক্ত)
২০. ভলভেল্ট ও অন্যান্য নেমাটোসিস্ট শিকারকে ধরে রাখতে সাহায্য করে, গ্লুটিন্যান্ট নেমাটোস্টি গ্লু বা আঠালো রস ক্ষরণ করে। তারপর স্টিনোটিল “হিপনোটক্সিন” দিয়ে শিকারকে অবশ করে। পরে মুখছিদ্র দিয়ে তা গ্রহণ করে।
২১. একবার নিক্ষিপ্ত হলে নেমাটোসিস্টের সূত্রককে আর নিডোব্লাস্টে ফিরিয়ে আনা যায় না।
২২. গ্যাস্ট্রোডার্মিস-এর পুষ্টি কোষ কে দু’ভাগে ভাগ করা যায়:
·         ফ্ল্যাজেলীয় কোষ
·         ক্ষণপদীয় কোষ
২৩. হাইড্রার চলন:
·         লুপিং = হামাগুড়ি
·         সমার-সল্টিং = ডিগবাজী
·         গ্লাইডিং = অ্যামিবয়েড চলন
২৪. হাইড্রার প্রধান খাদ্য ক্ষুদ্র ক্রাস্টাসীয় সন্ধিপদী। খাদ্য তালিকা: পতঙ্গের লার্ভা, সাইক্লপস ও ড্যাফনিয়া (ক্রাস্টাসীয় সন্ধিপদী প্রাণী), ছোট ছোট কৃমি, খণ্ডকায়িত (কেঁচো টাইপ) প্রাণী (Annelids), মাছের ডিম ইত্যাদি।
২৫. সিলেন্টেরনে বহিঃকোষীয় পরিপাক ঘটলেও হাইড্রার দেহে দু’প্রকার পরিপাক-ই ঘটে: বহিঃকোষীয় পরিপাক এবং অন্তঃকোষীয় পরিপাক।
২৬. যখন দু’টি ভিন্ন প্রজাতিভুক্ত জীব ঘনিষ্ঠভাবে সহাবস্থানের ফলে পরস্পরের কাছ থেকে উপকৃত হয়, তখন এই সম্পর্ককে মিথোজীবিতা বলে।
(যদি একটি প্রজাতি উপকার পায় আর আরেক প্রজাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন ওই সম্পর্ককে পরজীবিতা বলে। যেমন, ম্যালেরিয়ার পরজীবী, Plasmodium vivax)
২৭. Zoochlorella নামক শৈবাল এবং Chlorohydra virdissima হাইড্রার মাঝে মিথোজীবী সম্পর্ক দেখতে পাওয়া যায়।
§  শৈবাল যেভাবে উপকৃত হয়:
o    হাইড্রার গ্যাস্ট্রোডার্মাল (অন্তঃকোষীয়) পেশী-আবরণী কোষে আশ্রয় পায়। (স্বাভাবিক ভাবে মনে হতে পারে যে এন্ডোডার্মিসে শৈবাল আশ্রয় নেয়, কিন্ত ব্যাপারটা তা নয়।)
o    হাইড্রা উদ্ভূত CO2 এবং নাইট্রোজেনজাত বর্জ্য পদার্থ ব্যবহার করে।
§  হাইড্রা যেভাবে উপকৃত হয়:
o    শৈবালের উদ্বৃত অংশ গ্রহণ করে হাইড্রা শর্করার চাহিদা মেটায়।
o    শ্বসনে সৃষ্ট CO2 এবং বিপাকে সৃষ্ট বর্জ্য পদার্থ শৈবাল গ্রহণ করে, এবং শৈবাল নির্গত O2 হাইড্রা গ্রহণ করে।
২৮. গ্যাস্ট্রোডার্মাল গ্রন্থিকোষ পরিপাকের জন্য ক্ষরণ করে = মিউকাস এবং এনজাইম
২৯. দেহের প্রয়োজনে যে কোন কোষ সৃষ্টি হয় ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ থেকে।
৩০. পরজীবীদের পুষ্টির জন্য এদের দেহের বিভিন্ন অঙ্গের সামান্য বা আমূল পরিবর্তন ঘটে। কিন্তু মিথোজীবীদের অঙ্গের তেমন পরিবর্তন ঘটে না।
৩১. সিলেন্টেরন ও সিলোম-এর পার্থক্য:
তুলনীয় বিষয়
সিলেন্টেরন
সিলোম
প্রাপ্তিস্থান
নিডারিয়া পর্বের প্রাণিদের দেহের অভ্যন্তরে থাকা গহ্বর
ত্রিস্তরী প্রাণীর দেহপ্রাচীর ও পৌষ্টিকনালীর মধ্যবর্তী ফাঁকা অঞ্চল
ঘিরে থাকা কোষ
গ্যাস্ট্রোডার্মাল কোষ
পেরিটোনিয়াম কোষ (অপ্রকৃত সিলোমে থাকে না)
পরিপাক
এখানে ঘটে
এখানে ঘটে না
অন্তঃস্থ অঙ্গ
থাকে না
বিভিন্ন অঙ্গ থাকে
অন্তঃস্থ পদার্থ
খাদ্য ও পানি
সিলোমরস

ভাইরাস সম্পর্কে খুঁটিনাটি ...

প্রাথমিক কথা:
এ অধ্যায়টি ছোট, আর এখান থেকে সাধারণত প্রশ্ন আসেই। সাধারণ কনসেপ্ট থেকেই প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি, কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকা দরকার। আর কিছু জিনিস যথারীতি মনে রাখতেই হবে।
অধ্যায় সারবস্তু:
১. ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ বিষ। (মানুষ আগে জানতো না যে কেন ভাইরাল রোগ হয়, তাই বিষ মনে করতো, যদিও ভাইরাস আসলে তা না।)
২. ১৮৯২ সালে সর্বপ্রথম ভাইরাসের উপস্থিতি প্রমাণ করেন আইভানোভস্‌কি, তামাকের মোজাইক ভাইরাস। (তখন ব্যাকটেরিয়ার কথা মানুষ জানতো, কিন্তু তিনি দেখেন যে এই জীবটা ঠিক ব্যাকটেরিয়া না, অন্য কিছু।)
৩. ১৯৩৫ সালে স্ট্যানলি প্রথমবারের কোন ভাইরাস হিসেবে তামাকের মোজাইক ভাইরাসকে কেলাসিত করতে সক্ষম হন। ১১ বছর পর ১৯৪৬ সালে তিনি এ জন্য নোবেল পুরষ্কার পান।
৪. ভাইরাস-এ প্রোটিন আবরণীর ভিতরে নিউক্লিক এসিড থাকে।
৫. আকৃতি অনুসারে বেশ কিছু ভাগে (৫ ভাগ) কিন্তু নিউক্লিক এসিডের ধরণ অনুযায়ী ভাইরাস দু’ভাগে ভাগ করা হয়:
            যথা: ডিএনএ (DNA) ভাইরাস এবং আরএনএ (RNA) ভাইরাস।
৬. আকৃতি অনুযায়ী ভাইরাসের শ্রেণিবিন্যাস:
(এখান থেকে অবজেকটিভ আসার সম্ভাবনা কম, তবুও এসে যেতে পারে, তাই গুরুত্বপূর্ণ গুলো জেনে রাখা ভালো।)
            ক. দণ্ডাকার: টোবাকো মোজাইক ভাইরাস (যে ভাইরাসটি নিয়ে প্রাথমিক গবেষণা হয়েছিল।)
            খ. গোলাকার: পোলিও, ডেঙ্গু, এইডস এর HIV ভাইরাস। (খুব ভয়াবহ ও পরিচিত রোগ সমূহ)
            গ. ব্যাঙাচি আকার: T2 ফায ভাইরাস। (TMV এর সাথে যেন না মিলে যায়, T2 ভাইরাস অনেকটা এলিয়েন শিপ-এর মত)
            ঘ. ডিম্বাকার: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস।
            ঙ. পাউরুটির মত: ভ্যাক্সিনিয়া ভাইরাস।
৭. RNA ভাইরাস ও DNA ভাইরাসের পার্থক্য:
ক. RNA ভাইরাস সাধারণত উদ্ভিদে রোগ সৃষ্টি করে, আর DNA ভাইরাস সাধারণত প্রাণীকে আক্রমণ করে। যদিও প্রাণীতেও অনেক RNA ভাইরাস রোগ সৃষ্টি করে।
খ. RNA ভাইরাস দণ্ডাকার বা সূত্রাকার, কিন্তু DNA ভাইরাসের অন্যান্য সব আকৃতি।
গ. RNA ভাইরাস একসূত্রক, এবং DNA ভাইরাস দ্বিসূত্রক। (RNA সাধারণত একসূত্রক হয়, আর DNA দ্বিসূত্রক)
৮. সংক্রমনক্ষম ভাইরাসকে ভিরিয়ন বলে। (প্রশ্নের অপশনে ভিরয়েড টার্ম টা থাকলে কনফিউশন হতে পারে। ভিরয়েড হচ্ছে কেবল নিউক্লিক এসিড, যার প্রোটিন আবরণ নেই, আবার প্রিয়ন হল এমন প্রোটিন আবরণ, যার মাঝে নিউক্লিক এসিড নেই। প্রোটিনের জন্য প্রিয়ন, আর নিউক্লিক এসিড থাকার জন্য ভিরয়েড, দুই মিলে ভিরিয়ন, যেখানে প্রোটিন আবরণও আছে, আবার ভেতরে নিউক্লিক এসিডও আছে)
৯. বাইরের প্রোটিন আবরণকে ক্যাপসিড বলা হয়। (নিউক্লিক এসিডের ক্যাপ)
১০. ক্যাপসিডের স্তরের অ্যান্টিজেনিক বৈশিষ্ট্য আছে। (এন্টিজেনিক বৈশিষ্ট্য থাকার জন্য আমাদের শরীরে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি হতে পারে। এই এন্টিজেনিক বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে যেমন পোলিও রোগের টিকা দেওয়া হয়, ফলে আমাদের দেহে আগে থেকেই পোলিও রোগের বিরূদ্ধে অ্যান্টিবডি থাকে।)
১১. যে ভাইরাসের সংক্রামণ ক্ষমতা নেই, কিন্তু নিউক্লিক এসিড ও ক্যাপসিড, দু’টোই থাকে, তাকে নিউক্লিওক্যাপসিড বলে।
১২. একই ভাইরাসে হয় RNA নয়তো DNA অবস্থান করে, কিন্তু দু’টোই একসাথে অবস্থান করে না।
১৩. গবাদি পশুর ফুট এন্ড মাউথ রোগ-এর ভাইরাস সবচেয়ে ছোট, সবচেয়ে বড় ভাইরাস ভ্যারিওলা।
১৪. TMV ভাইরাস দণ্ডাকার, এটি একসূত্রক RNA বহন করে।
১৫. ভ্যাক্সিনিয়া ভাইরাস এর মধ্যে DNA থাকে, বাইরে চর্বিজাতীয় পদার্থের আবরণ রয়েছে।
১৬. T2 ফায এর নিউক্লিক এসিড দ্বিসূত্রক DNA, দেহ দু’টি অংশে ভাগ করা যায়: মাথা ও লেজ ।
১৭. HIV ভাইরাসে একসূত্রক দু’টি RNA এবং দু’টি রিভার্স ট্রান্সক্রিপ্টেজ থাকে। (রিভার্স ট্রান্সক্রিপটেজ এর কাজ হচ্ছে যে RNA থেকে রিভার্স করে যে DNA-এ তে পরিণত করা।)
১৮. HIV ভাইরাস মানবদেহের শ্বেতকণিকার ম্যাক্রোফাজ ও T-cell কে ধ্বংস করে।
১৯. ক্যাপসিডের বাইরে দ্বিস্তরী লিপিড থাকে, যাকে গ্লাইকোপ্রোটিন বলে।
২০. এবিওলা ভাইরাসের আক্রমণে দেহের কোষ ফেটে যায়, আফ্রিকায় মহামারীরূপে এই রোগ হয়।
২১. BMV=Bean (সিম) Mosaic Virus
২২. টুংগ্রো ভাইরাসের পোষক দেহ ধান।
২৩. বসন্ত এর জন্য ভ্যারিওলা ভাইরাস দায়ী আর হামের জন্য রুবিওলা ভাইরাস দায়ী। (ভ্যারিওলা বৃহত্তম ভাইরাস, “ব” দিয়ে তেমন “বসন্ত”, এভাবে দু’টো ভাইরাস, ভ্যারিওলা ও রুবিওলা সৃষ্ট রোগের মধ্যে কনফিউশন দূর করা যায়)
২৪. লাল টিউলিপ ফুলে সৌন্দর্যমণ্ডিত সাদা দাগ হবার জন্য দায়ী ভাইরাস।

উদ্ভিদজগতের শ্রেনিবিন্যাস

প্রাথমিক কিছু কথা: এই অধ্যায় টা এইচএসসির জন্য মোটামুটি গুরুত্ব দিয়েই পড়া হয়, কিন্তু অবজেকটিভ-এর জন্য বেশ কিছু জিনিস একেবারে নতুন করে পড়া দরকার। একটার সাথে একটা বৈশিষ্ট্যের পার্থক্য মুখস্ত করার চেষ্টা করলে গুলিয়ে ফেলার সম্ভাবনা থাকে, তাই প্রত্যেকটা জগত সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন। তবে কিছু জিনিস মুখস্ত রাখতেই হবে, অন্য উপায় নেই। এই অধ্যায় থেকে অন্তত একটি প্রশ্ন সাধারণত আসেই। তাই যত্ন নিয়ে পড়লে এখান থেকে আসা যে কোন প্রশ্ন উত্তর করা সম্ভব।

অধ্যায় সারবস্তু:
১. শ্রেণিবিন্যাসের ধাপগুলো হচ্ছে:
Kingdom > Division/Phylum > Class > Order > Family > Genus > Species
(৩য়, ৪র্থ ও ৫ম ধাপ গুলো নিয়ে মাঝে মাঝে সমস্যা হয় ক্রম কি, তা বুঝতে গিয়ে। যেমন “COF” মনে রাখা যেতে পারে।)
২. ICBN স্বীকৃত সমাপ্তিজ্ঞাপক বর্ণমালা:
Kingdom/ Division – “phyta”
Class – “opsida”
Order – “ales”
Family – “aceae”
(এখানে কনফিউশন এড়ানোর জন্য কিছু টিপস: solanaceae, malvaceae, এগুলো ফ্যামিলির নাম, এসব মনে রাখা যেতে পারে, আর Order এর জন্য কিন্তু Opsida না, “ales”, আর Bryophyta, Thallophyta, এভাবে কিছুটা মনে রাখা যেতে পারে।)
৩. ক্যারোলাস লিনিয়াস ১৭৫৩ সালে Species Plantarum গ্রন্থটি প্রণয়ন করেন। (সালটা ডিএনএ হেলিক্সের গঠন ওয়াটসন ও ক্রীকের আবিষ্কারের সনের সাথে মিলে যায়, ১৯৫৩ সাল। আর Historia Plantarum লেখেন History-এর অনেক আগের থিওফ্রাস্টাস। এই কনফিউশনটা যেন না থাকে।)
৪. থিওফ্রাস্টাস কে উদ্ভিদবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। তিনিই উদ্ভিদসমূহকে বৃক্ষ, উপগুল্ম, গুল্ম, বীরুৎ এই চার শ্রেণিতে ভাগ করেন।
৫. Historia Plantarum গ্রন্থে ৪৮০টি উদ্ভিদের বর্ণনা ছিল।
৬. দ্বিপদ নামকরণ লেখার অক্ষরবিন্যাস ইটালিক, কিন্তু ভাষা ল্যাটিন।
৭. “জন রে” Dicot আর Monocot উদ্ভিদ দুই ভাগে প্রথম ভাগ করেন যা পরে বেন্থাম-হুকারের শ্রেণিবিন্যাসে জায়গা করে নেয়।
৮. উদ্ভিদ জগতকে অপুস্পক (Imperfecti) এবং পুস্পক (perfecti) এ দুই ভাগে বিভক্ত করেন “জোসেফ পিটন দি টুর্নেফোর্ট”।
৯. ভারতবর্ষের লিনিয়াস বলা হয় “উইলিয়াম রক্সবার্গ” কে।
১০. ক্যারোলাস লিনিয়াস কে আধুনিক শ্রেণিকরণবিদ্যার জনক বলা হয়। তার Species Palntarum বই-এ ৭৩০০ প্রকারের উদ্ভিদের বর্ণনা ছিল। লিঙ্গভিত্তিক কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি তিনি প্রণয়ন করেন।
১১. মাইকেল অ্যাডনসন সর্বপ্রথম কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতির ধারণা বাতিল করে প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতির শুরু করেন।
১২. বেন্থাম ও হুকারের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি Genera Plantarum বই-এ প্রকাশ করেন। এটিই সর্বশেষ প্রাচীন প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি।
১৩. এভুলেশন বা বিবর্তনের তত্ত্ব অনুসারে করা প্রথম জাতিজনি শ্রেণিবিন্যাস এঙ্গলার-প্রান্টলের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি।
১৪. উদ্ভিদজগতের শ্রেণিবিন্যাস তিন পদ্ধতিতে করা হয়, কৃত্রিম, প্রাকৃতিক ও জাতিজনি (Phylogenetic) শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি।
থিওফ্রাস্টাস থেকে শুরু করে লিনিয়াস পর্যন্ত কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাস।
মাইকেল অ্যাডানসন থেকে বেন্থাম হুকার – প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাস।
এঙ্গলার-প্রান্টল থেকে জাতিজনি শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি শুরু ও বর্তমানে গৃহীত।
১৫. সরিষা, গম, এরা বর্ষজীবী বীরুৎ।
বাঁধাকপি, মূলা দ্বিবর্ষজীবী বীরুৎ। প্রধানত শীতকালীন সবজি।
বহুবর্ষজীবী বীরুৎ-এর উদাহরণ: হলুদ গাছ, দুর্বাঘাস।
কল্কাসুন্দা = উপগুল্ম
গুল্ম = কাগজিলেবু, জবা
বৃক্ষ = অন্যান্য সকল বড় বড় গাছ।
(শীতকালীন সবজি দ্বিবর্ষজীবী, খাদ্য শস্য এক বর্ষ জীবী, আর লেবু ও জবা গাছ দেখে থাকলে সেটাও মনে রাখা যায় যে গুল্ম, বাকি কল্কাসুন্দা সাধারণত একটা অপরিচিত গাছ, যেটা একটু ছোট। এভাবে একটু ভেবে নিলে এখান থেকে আসা বহুনির্বাচনী প্রশ্ন সঠিক উত্তর করা সম্ভব।)
১৬. বেন্থাম ও হুকার দুইটি উপজগতে সমস্ত উদ্ভিদজগতকে ভাগ করেন: বীজহীন অপুষ্পক আর সবীজ পুষ্পক। (জোসেফ পিটন করেন অপুষ্পক ও পুষ্পক)
১৭. অপুষ্পক উদ্ভিদ তিন ভাগে: থ্যালোফাইটা, ব্রায়োফাইটা, (প)টেরিডোফাইটা। পুষ্পক উদ্ভিদ দুইভাগে: নগ্নবীজি ও আবৃতবীজী।
(এইচএসসি তে বড় প্রশ্ন উতর করার জন্য এই শ্রেণিবিন্যাসটা অনেক গভীর ভাবে পড়া হয়, এখানে ওভাবে না পড়ে কিছু কি-পয়েন্ট মনে রাখা প্রয়োজন। নিচে তেমন কিছু দেওয়া হল:)
১৮. থ্যালোফাইটায় মূল, কাণ্ড, পাতা নেই, সব প্রায় একই রকম, এজন্যই সমাঙ্গবর্ণ বলা হয়। গাছের মত একটা আকৃতি এদের থাকে না, যেমনটা অন্যদের থাকে।
১৯. ব্রায়োফাইটায় পাতা ও কাণ্ড থাকে, তবে মূল না থেকে রাইজয়েড থাকে। এটাই টেরিডোফাইটার সাথে এদের পার্থক্য।
২০. টেরিডোফাইটায় মূল, কাণ্ড ও পাতা আছে, পরিবহণ টিস্যুতন্ত্রও আছে। ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদ।
২১. গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ:
শৈবাল = spirogyra, volvox, polysiphonia
ছত্রাক = Mucor, Agaricus, Penicillium
ব্রায়োফাইটা = Riccia, Marchantia, Bryum,
টেরিডোফাইটা = Pteris, Dryopteris
২২. প্রজাতির সংখ্যা:
থ্যালোফাইটা = ১,১০,০০০ টি
ব্রায়োফাইটা = ২৩,০০০ টি
টেরিডোফাইটা = ১০,০০০ টি
২৩. জিমনোস্পার্মি নগ্নবীজী আর অ্যাঞ্জিওস্পার্মি আবৃতজীবী।
(এখানে একটা কনফিউশন হতে পারে যে জিমনোস্পার্মি একটা পজিটিভ শব্দ মনে হয় আর অ্যানজিওস্পার্মি শব্দে কোন কিছুর অভাব বোঝাতে যেন শুরতে a ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু জিমনোস্পার্মি কথাটা গ্রিক ভাষা থেকে আসা, যার অর্থই “নগ্ন বীজ”, আর অ্যানজিওস্পার্মি কথাটা অন্যভাবে এসেছে, পাতায় যে সমান্তরাল বা জালের মত শিরা দেখা যায়, ওটার সাথে সম্পর্ক যুক্ত, কিন্তু নগ্নবীজীতে পাতা কাটা কাটা থাকে।)
২৪. জিমনোস্পার্মি অনেক কম, আস্তে আস্তে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে, প্রায় ৭০০।
২৫. ডাইকটিলিডনি এর “ডাই” অংশটা বোঝায় দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ, আর মনোকটিলিডনের “মনো” অংশটা বোঝায় একবীজপত্রী।
(দ্বিবীজপত্রী আম গাছ আর একবীজপত্রী ধান গাছকে ভেবে পার্থক্য করলেই কিছু মৌলিক পার্থক্য সহজে মনে থাকবে। ধান পাছের পাতায় যেমন একটা সমান্তরাল শিরাবিন্যাস থাকে, কিন্তু আম গাছের পাতায় জালিকাকার শিরাবিন্যাস থাকে। ধান গাছের মূল ছোট, অস্থানিক, কিন্তু আম গাছের মূল অনেক শক্তিশালী, প্রধান মূলতন্ত্র বিদ্যমান।)
২৬. সপুষ্পক উদ্ভিদের সর্বাধুনিক শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি গণ্য করা হয় ড. আরমেন তাখতাজান-এর শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি।
২৭. মারগুলিস সমগ্র জীবজগতকে দুইটি সুপার কিংডম-এর আওতায় পাঁচটি জগত বা কিংডম-এ ভাগ করেন। যথা:
            ক. প্রোক্যারিওটা বা আদিকোষী (প্রো দিয়ে পূর্বের বোঝানো হয়)
            খ. ইউক্যারিওটা বা প্রকৃতকোষী
২৮. প্রোক্যারিওটের কোষের ভিতরে কোন অঙ্গাণু থাকে না, শুধুমাত্র নিউক্লিয়ার পদার্থ অর্থাৎ ডিএনএ থাকে আর রাইবোজোম থাকে যার ফলে ডিএনএ থেকে প্রোটিন তৈরি হতে পারে।
২৯. প্রোক্যারিওটে অ্যামাইটোসিস প্রক্রিয়ায় এদের কোষ বিভাজন ঘটে, যেখানে ইউক্যারিওটে মাইটোসিস ও মিয়োসিস প্রক্রিয়া বিরাজমান।
৩০. প্রোক্যারিওটে বংশবৃদ্ধি হয় দ্বিবিভাজন প্রক্রিয়ায়।
৩১. প্রোটকটিস্টা এককোষী বা বহুকোষী, এদের নিউক্লিয়াসসহ অন্যান্য অঙ্গাণু আছে। তবে এরা অনুন্নত, তাই ভ্রূণ নেই, কনজেগুশনের মাধ্যমে প্রজনন ঘটে।
৩২. অ্যামিবা, শৈবাল প্রোটকটিস্টার অন্তর্ভুক্ত।
৩৩. প্রোটকটিস্টায় সালোকসংশ্লেষণকারী রঞ্জক পদার্থ থাকতে পারে, কিন্তু ফানজাই তে অবশ্যই থাকে না।
৩৪. ফানজাই-এর কোষপ্রাচীর “কাইটিন” দ্বারা নির্মিত।
৩৫. প্রোটকটিস্টা যেমন কনজেগুশন প্রক্রিয়ায় প্রজনন করতো, তেমনি ফানজাই তে হ্যাপ্লয়েড স্পোরের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ঘটে।
৩৬. Saccharomyces cerevisiae বা ঈস্ট একটা গুরুত্বপূর্ণ ফানজাই, এছাড়াও Mucor, Agaricur  গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ ফানজাই-এর।
৩৭. প্ল্যান্টির কোষপ্রাচীর সেলুলোজ নির্মিত। সেলুলোজ একটি শর্করা, গ্লুকোজের অনেক গুলো অণু নিয়ে গঠিত পলিমার।
৩৮. ব্রায়োফাইটা গ্যামেটোফাইট এবং  ট্র্যাকিওফাইটা স্পোরোফাইটিক। (এটি নিয়ে কনফিউশন হয়। ইংরেজিতে b আগে, তাই g আগে হবে, আর t পরে, তাই s পরে হবে।)
৩৯. ব্রায়োফাইটায় তিনটা ফাইলাম আর ট্র্যাকিওফাইটায় আটটা ফাইলাম।
৪০. ব্রায়োফাইটায় পরিবহন তন্ত্র নেই, কিন্তু ট্র্যাকিওফাইটায় পরিবহনতন্ত্র আছে। (পরিবহন টিস্যুতন্ত্রে ট্রাকিয়া আছে, এভাবে মনে রাখা যায় যে ট্র্যাকিওফাইটায় পরিবহনতন্ত্র আছে।)
৪১. প্রোক্যারিয়টে রাইবোসোম ক্ষুদ্র, শুধুমাত্র 70S। কিন্তু উন্নততর ইউক্যারিওটে 70S এবং 80S দুটোই রয়েছে।
৪২. প্রোক্যারিওটে DNA বৃত্তাকার ও ইউক্যারিয়টে লম্বাকার। (এটা মনে রাখা যেতে পারে যে ছোট, তাই বৃত্ত গঠন করে থাকে, যত লম্বা হবে, বৃত্ত গঠন করা অতটাই কঠিন হবে। এছাড়া যে ক্রোমোজোম টা আমরা বই-এ দেখি, সেটি লম্বা, বৃত্তাকার না।)
৪৩. অপেরন প্রোক্যারিওটে আছে, কারণ এটা একটা বিশেষ মেকানিজম যেটা ছোট জিনোমের জন্য লাগে। ইউক্যারিওটের জিনোম অনেক বড়, তাই অপেরন লাগে না।